💥👉দুধের সরের ঘি এবং ক্রিমের ঘি দুটোর পার্থক্য কি?
দুধের মধ্যে যে ফ্যাট থাকে প্রকৃতপক্ষে সেটাই ঘি। দুধের মধ্যে পানি থাকে প্রায় ৮৭%, ফ্যাট থাকে প্রায় ৪%, SNF ( Solid Non Fat) থাকে প্রায় ৮% । SNF হলো দুধের কঠিন অংশ। দুধ তাপ দিয়ে শুকালে পাওয়া যায় SNF। তাপ দিয়ে শুকানো এই SNF এর মধ্যে দুধের ফ্যাটও থাকে, যদি দুধ থেকে ফ্যাট বের করে নেওয়া না হয়।
এই যে বললাম দুধ থেকে ফ্যাট বের করে নেওয়া হয়, আসলে দুধ থেকে ফ্যাট বের করা হলো ঘি তৈরীর প্রথম ধাপ। দুধ থেকে ফ্যাট বের করার বিভিন্ন প্রক্রিয়া আছে। এর মধ্যে একটি হলো দুধ তাপ দিয়ে রেখে দিলে যে সর পরে সেই সর সংগ্রহ করে তা থেকে ফ্যাট বের করে আনা। আসলে দুধের ফ্যাট তুলনামূলক পাতলা হওয়ায় তা দুধের উপরে ভেসে উঠে তখন তা সংগ্রহ করা হয়।
আরেকটি প্রক্রিয়া হলো আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে। আগেই বলেছি দুধের ফ্যাট তুলনামূলক পাতলা, তাই দুধকে কোন কিছুর মাধ্যমে খুব দ্রুত গতিতে ঘুরালে ফ্যাট উপরে ভেসে উঠে এবং তা সংগ্রহ করা হয়, যেটাকে আমরা বলি ক্রিম (মাখন) গ্রাম বাংলায় বেশ কিছু বছর আগেও দেখা যেত একটা পাতিলের মধ্যে দুধ রেখে বাঁশের তৈরী একটি বিশেষ কাঠি দড়ির সাহায্যে ঘুরিয়ে মাখন বা ক্রিম বের করা হতো। বর্তমানে এই কাজটিই করা হয় মেশিনের সাহায্যে।এই ক্রিম বা মাখনকে সঠিক মাত্রায় তাপ প্রয়োগ করে বানানো হয় ঘি। যেহেতু দুধের ফ্যাটই ঘি, তাই যে প্রক্রিয়াতেই তা বের করা হোক না কেন, যদি সঠিক ভাবে তাপ প্রয়োগ করা হয় তাহলে সব ঘি স্বাদে গন্ধে একইরকম হয়।
🥰তাই সরের ঘি এবং ক্রিমের ঘি এর মধ্যে কোন পার্থক্য নেই।
ঘি বানানোর প্রক্রিয়া দুই রকম, একটাতে খরচ বেশী, একটাতে খরচ কম এজন্য দামের কম বেশী।
গাওয়া ঘির পুষ্টিগুণ
খাঁটি গাওয়া ঘি শুধু স্বাদের জন্য নয়, পুষ্টির দিক থেকেও সমৃদ্ধ।
- Vitamin A: চোখ ও রোগ প্রতিরোধে সহায়ক
- Vitamin D: হাড় মজবুত রাখতে সাহায্য করে
- Vitamin E: শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট
- Vitamin K: রক্ত জমাট ও হাড়ের স্বাস্থ্যে সহায়ক
- Butyric Acid: হজমতন্ত্রের জন্য উপকারী
- Healthy Fats: Keto diet অনুসারীদের জন্য উপযোগী
সর্বদা পরিমিত মাত্রায় গ্রহণ করা উচিত।
গাওয়া ঘি খাওয়ার উপকারিতা
- হজম শক্তি উন্নত করে
- শরীরের শক্তি বৃদ্ধি করে
- অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখে
- শিশুদের মস্তিষ্ক বিকাশে সহায়ক
- রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে
- ত্বকের স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা বজায় রাখতে ভূমিকা রাখে
শিশুদের জন্য কি নিরাপদ?
৬ মাসের বেশি বয়সী শিশুকে অল্প পরিমাণে গাওয়া ঘি দেওয়া যায় (ডাক্তারের পরামর্শ সাপেক্ষে)। বর্তমানে অনেক পরিবার বাজারের রিফাইন্ড তেলের পরিবর্তে খাঁটি ঘি ব্যবহার করছেন।
রান্নায় ব্যবহার
- পোলাও
- বিরিয়ানি
- খিচুড়ি
- ডাল
- ভর্তা
- রুটি ও পরোটা
- মিষ্টান্ন
- গরম ভাত
মাত্র এক চামচ ঘি পুরো খাবারের স্বাদকে সমৃদ্ধ করে।
আসল গাওয়া ঘি চিনবেন কিভাবে?
- গরম করলে দ্রুত স্বচ্ছভাবে গলে যায়
- ঠান্ডা হলে প্রাকৃতিক দানাদার গঠন দেখা যায়
- মোলায়েম ও প্রাকৃতিক সুবাস থাকে
- অস্বাভাবিক উজ্জ্বল বা অতিরিক্ত সাদা রঙ নয়
- তিতা বা রাসায়নিক স্বাদ থাকে না
দাম বেশি কেন?
খাঁটি গাওয়া ঘি তৈরি করতে প্রায় 27 কেজি দুধ প্রয়োজন হয় ১ কেজি ঘি ছয় কেজি ক্রিম তৈরির জন্য। ধীর জ্বাল প্রক্রিয়া সময়সাপেক্ষ এবং এতে কোনো কেমিক্যাল বা শর্টকাট ব্যবহার করা হয় না।
আমরা সস্তার প্রতিযোগিতায় নেই—আমরা মান ও বিশ্বাসের প্রতিযোগিতায় আছি।
সংরক্ষণ পদ্ধতি
- এয়ার টাইট জারে সংরক্ষণ করুন
- শুকনো চামচ ব্যবহার করুন
- সরাসরি রোদ থেকে দূরে রাখুন
- ফ্রিজে রাখা বাধ্যতামূলক নয়
সঠিকভাবে সংরক্ষণ করলে ৩–৬ মাস পর্যন্ত ভালো থাকে।
উপলব্ধ সাইজ
Bulk order গ্রহণযোগ্য।
01974196194